সংবাদ প্রকাশের জের ধরে মাগুরা সদর উপজেলার দোড়া দাখিল মাদরাসার সভাপতি নান্নু মন্ডলের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে অসম্মানজনক কথা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফারুক আহমেদ জানান, গত বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট দুপুরে মাদরাসায় গেলে সহকারী সুপার মোখলেজ তাকে সভাপতি নান্নু মন্ডলের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এরপর নান্নু মন্ডল মোবাইল ফোনে তাকে অকথ্য ভাষায় ‘তুই’ সম্বোধন করে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রাঘবদাইড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের দোড়া গ্রামে অবস্থিত দোড়া দাখিল মাদরাসায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নান্নু মন্ডল সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে এলাকাবাসী মাদরাসার বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, খোলামেলা পরিবেশে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান হলেও মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক ভবন নির্মাণ হচ্ছে না। নতুন কমিটি গঠন হলে মাদরাসার ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নান্নু মন্ডলের সাথে ফোনে কথা হলে প্রথমে সে সাংবাদিক ফারুক আহমেদ কে তুই করে বলে তুই আমার ২-৩ তিনবছর অনেক সবনাশ করেছিস তোকে আমি দেখে নেবো তুই কিভাবে সাংবাদিকতা করিস। এরপর তাকে আবারও ফোন দিলে সে অস্বীকার করে আমি তুই করে হুমকি ধামকি দেওয়া ইত্যাদি কথা বলিনি। এছাড়াও সে রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে গড়িমসি কথা বলে ফোন কেটে দেয়।
এদিকে সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। উক্ত দোড়া দাখিল মাদরাসায় নান্নু মন্ডলের স্ত্রীর আয়া পদে চাকরি করে, আপন ভাগ্নে কেরানি অফিস সহকারী ফারুক হোসাইন চাকরি করে, আপন ছোট ভাই মামুন, অন্য লোকের বা জালজালিয়াতি করে সার্টিফিকেট দিয়ে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি করে।
এমপিও নিতীমালা ২০২৩ সালে আসলে মখলেজ ঢুকে তবে বাক ডেট দেখায়েছে ৬-৭ বছর পূর্বে। এছাড়াও মাদরাসার শুরু থেকে যারা অকালন্ত পরিশ্রম করেছে তাদের বেশির ভাগ শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি সবই টাকার বিনিময়ে নিয়োগ ও স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।
১ম পর্ব।
Leave a Reply