মহেশখালী সদরের খোরশেদ আলম ওরফে দুলালের বিরুদ্ধে অঙ্গীভূত সদস্য ও পিসি আনসারের চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, আনসার সদস্যদের চাকরি ও পদোন্নতির সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে খোরশেদ আলম বিভিন্ন সময় বড় অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে তিনি যোগাযোগ এড়িয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
অভিযোগকারী আনসার সদস্য রাশেদ মাহমুদ, যার সদস্য আইডি ৮০৭৬৭, দাবি করেন—মামলা থেকে প্রত্যাহার করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার পর খোরশেদ আলম তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করছেন না। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে কল কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে রাখেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া আরও কয়েকজন আনসার সদস্যের কাছ থেকেও মামলা প্রত্যাহার ও চাকরিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগকারীদের আরও দাবি, খোরশেদ আলম ২০২৪ সালের আনসার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই সময়ের বিভিন্ন ঘটনায় মামলাকৃত আনসার সদস্যদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খোরশেদ আলম বর্তমানে বিআরটিতে কর্মরত রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য কাফরুল থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ভুক্তভোগীদের অর্থ উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।
Leave a Reply