রোববার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তিনটি ব্যাগ ও একটি বিছানার চাদরে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহের টুকরাগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাকিব রায়হান তালুকদার (৪০) সোয়াইতপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদার ও রাহেলা খাতুনের ছেলে। তিনি ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে নিহত রাকিবের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা পলাতক থাকায় তাকে ঘিরে জোরালো সন্দেহের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর রাকিব একই এলাকায় নিজের আলাদা বাড়িতে একাকী থাকতেন এবং প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বাড়িতে এসে শনিবার কর্মস্থলে ফিরতেন। গত ২৩ জুলাই তিনি বাড়িতে আসেন এবং সেদিন রাতে বড় ভাই নূরুল ইসলামের সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। পরদিন ২৪ জুলাই বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ হন। প্রথমে পরিবার ভেবেছিল তিনি কর্মস্থলে ফিরে গেছেন, তবে ২৬ জুলাই কর্মস্থলে যোগ না দেয়ায় ও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের সন্দেহ হয়।
সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ২৭ জুলাই রাতে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বড় ভাই নূরুল ইসলাম। এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষ রায়হান এর খুনীর বিচার চায়।
Leave a Reply