মাগুরার শালিখা থানায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক বা এসআই শরীফ হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মামলার তদন্তে অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব অভিযোগকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন মামলা, জিডি ও অভিযোগ নিষ্পত্তির নামে বাদী ও বিবাদী—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া সালিশের নামে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, একটি মামলার আসামিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে চার্জশিট থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে অভিযোগকারীদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এতে অনেক ভুক্তভোগী অভিযোগ জানাতে সাহস পান না বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত এসআই শরীফ হাবিবুর রহমানের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। জেলা পুলিশ বা শালিখা থানার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
এ ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে স্থানীয়দের।
Leave a Reply