বগুড়ার উপজেলা সীমাবাড়ী ইউনিয়নের কালিয়াকৈর বালকদাস গ্রামের মৃত বাহের আলী শেখ এর স্ত্রী (৫০ কে), একই গ্রামের
পিতা মৃতঃ আহিমুদ্দিনের ছেলে, মোঃ সুরমান (৫৫), ভিকটিমের স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে ভীকটিমকে কূপ্রস্তাব দিতো।
উক্ত ধর্ষণের চেষ্টায় মামলার অভিযুক্ত (১ নং) আসামী হলো মোঃ সুরমান (৫৫), পিতা মৃত আহিমুদ্দিন ও (২ নং) আসামী মোছাঃ সাজেদা বেগম স্বামী মোঃ সুরমান উভয়ের সাং কালিয়াকৈর থানা শেরপুর। ১নং আসামী ভীকটিমের স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে ভীকটিমকে কূপ্রস্তাব দিত। ভীকটিম কূপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চতুর ১নং আসামী ভীকটিমকে বিবাহের প্রস্তাব দিলে ভীকটিম বলে, আমি আর বিবাহ করবো না।
আরও পড়ুন,
গত (২৭ জুন) শনিবার রাতে ২নং আসামী ও ১নং আসামীর কৌশল করে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য কবিরাজের বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পথি মধ্যে, একই তারিখ রাতে শেরপুর উপজেলা সীমাবাড়ি ইউনিয়নের কালিয়াকৈর বালকদাস গ্রামে ১নং আসামীর বসত বাড়ীর পেছনে, ২নং আসামীর সহযোগিতায় ১নং আসামী ধ’র্ষ’ণ করার উদ্দেশ্যে, ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয়। ভিকটিম (৫১) এর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধ’র্ষ’ণে’র করার জন্য চেষ্টা করে। পরে ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে, ধ’র্ষ’ণে’র চেষ্টাকরী আসামী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন,
ভিকটিম তার পরিবারের সাথে আলোচনা করে, ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে, শেরপুর থানায় একটি ধ’র্ষ’ণে’র চেষ্টা মামলা রুজু করে।
ভিকটিম (৫১), পিতাঃ মৃত বাহেরআলী সাং কালিয়াকৈর বালকদাস থানা শেরপুর। ধ’র্ষ’ণে’র চেষ্টা মামলার অভিযুক্ত আসামীরা হলো, মোঃ সুরমান (৫৫), পিতাঃ মৃত আহিমুদ্দিন, মোছাঃ সাজেদা বেগম (৪৫), স্বামী মোঃ সুরমান (৪০), উভয়ের সাং কালিয়াকৈর বালকদাস থানা শেরপুর-বগুড়া। মামলার বাদী ভিকটিম (৫১), পিতা মৃত বাহের আলী সাং কালিয়াকৈর বালকদাস। ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে শেরপুর থানায় ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৩ তারিখঃ-১২-০৭-২০২৬ খ্রিঃ,ধারা-৯(৪) খ /৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ মামলা রুজু করেন।
Leave a Reply