1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

জাবির গবেষকদের ৩২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত

বিজ্ঞানের গবেষণায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। ‘রিট্র্যাকশন ওয়াচ’-এর তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জাবির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের একক ও যৌথভাবে মোট ১০টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কবির উদ্দিনের দুটি গবেষণাপত্রও বাতিল হয়েছে।

এ ছাড়া গণিত, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, ব্যবসায় প্রশাসন, পরিসংখ্যান ও ডেটা সায়েন্স এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক-গবেষকদের একাধিক গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রিট্র্যাকশনের কারণ হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিয়ার-রিভিউ কারসাজি, উদ্ধৃতি অনিয়ম, তথ্যের অসঙ্গতি বা বিকৃতি, লেখকত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংযুক্তির নিয়ম লঙ্ঘন এবং পেপার মিলের মতো অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সুনাম ও গবেষণার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একের পর এক গবেষণাপত্র বাতিল হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষক জানিয়েছেন, কোথায় সমস্যা হয়েছে তা তিনি সঠিকভাবে জানেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি সতর্ক হয়েছেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, কোনো শিক্ষক বা গবেষকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ উঠলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে ইউজিসি নিজ উদ্যোগে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নিতে পারে।

গবেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং ও উদ্ধৃতির প্রতিযোগিতায় গুণগত মান বিসর্জন দিলে এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি শুধু সংশ্লিষ্ট গবেষকের নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর পড়ে। তাই প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে দায় নির্ধারণ এবং গবেষণায় একাডেমিক সততা নিশ্চিত করা জরুরি।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost