1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন

হোসেনপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের রাস্তায় ৩০ ফুট গর্ত

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত
৮নং ওয়ার্ডের রাস্তায় ৩০ ফুট গর্ত

হোসেনপুর–বাসকান্দা–পাকুন্দিয়া–ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের হোসেনপুর পৌর এলাকার দ্বীপেশ্বর অংশে প্রায় ৩০ ফুটজুড়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছালে সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা। তার নির্দেশে পৌর প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন
তাৎক্ষণিকভাবে গর্ত ভরাটের কাজ শুরু করেছেন।

হোসেনপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড ও কুলেশ্বরবাড়ীর সামনে, দ্বীপেশ্বর অংশ। হোসেনপুর–বাসকান্দা–পাকুন্দিয়া আঞ্চলিক সড়কটি উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই পথ দিয়ে প্রতিদিন বাসকান্দা থেকে ঢাকার মহাখালীগামী ‘জলসিঁড়ি পরিবহন’-এর বাসসহ যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল চলাচল করে। কিন্তু পৌর এলাকার দ্বীপেশ্বর অংশে প্রায় ৩০ ফুটজুড়ে সৃষ্ট বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না। ফলে প্রতিনিয়ত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।

আরও পড়ুৃন, 

সরেজমিনে দেখা যায়, পাকুন্দিয়ার তারাকান্দি বাজার থেকে সবজি কিনে বাসকান্দায় ফিরছিলেন ব্যবসায়ী আমিন মিয়া। দ্বীপেশ্বর এলাকার বড় গর্তে পড়ে তার বহনকারী অটোরিকশাটি উল্টে যায়। এতে চালক মোখলেছুর রহমান গাড়ির নিচে চাপা পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণের ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সড়কের এই অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একপর্যায়ে সেখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে ওই এলাকায় ড্রেন নির্মাণকাজ চললেও ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সাহাব উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, মফিজ উদ্দিন, মো. সুবল মিয়া ও সৃজন মিয়াসহ অনেকে জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে বড় গর্তের কারণে ইতোমধ্যে অসংখ্য ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সংস্কারকাজ করা হয়নি। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সড়কটির পৌর এলাকার অংশের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি ও পৌরসভার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এ কারণেই দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি সংস্কার করা হয়নি।

আরও পড়ুন, 

জনদুর্ভোগের খবর পেয়ে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা উপজেলা প্রকৌশলী ও পৌর প্রকৌশলী এবং পিআইও সাথে নিয়ে সরেজমিনে দ্বীপেশ্বর অংশের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউএনও বলেন, “গর্তটি এক সৃষ্টি হয়নি; এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিষয়টি প্রকৌশলীকে নিয়ে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পৌর প্রকৌশলীকে দ্রুত গর্তটি ভরাট করে জনদুর্ভোগ কমানোর জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

ইউএনওর নির্দেশের পরপরই পৌর প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে গর্ত ভরাটের কাজ শুরু হয়। তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, শুধু ভরাট নয়, সড়কটির স্থায়ী সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয়রা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে গর্তটির আকার আরও বড় হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই জনস্বার্থে এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost