নারায়ণগঞ্জ জেলর আড়াই হাজার উপজেলায় ছোট বিনাইরচর গ্রামে বিধবা নুরুন্নাহার বেগম (৬৫) হত্যা মামলায় দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর তার মেয়ে আয়েশা আক্তার রানু (৪৩)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিআইডির দীর্ঘ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে আসার পর আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
রোববার রাতে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বিনাইরচর এলাকা থেকে আড়াইহাজার থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। নিহত নুরুন্নাহার বেগম ওই গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের স্ত্রী। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে নুরুন্নাহার বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের ভাই বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ নিহতের মেয়ে আয়েশা আক্তার রানুসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করলেও সে সময় হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই ঘটনায় নিহতের ছেলে কবির হোসেনকেও সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তিনি কিছুদিন কারাভোগ করেন।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরবর্তীতে মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডে আয়েশা আক্তার রানুর সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে সিআইডি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে সেই পরোয়ানা কার্যকর করতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আড়াইহাজার থানা পুলিশ।
Leave a Reply