1. admin@channelgbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম: সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নতুন করে যুক্ত হলেন ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট। দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তারা কমিশন লাভ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেনাপ্রধান বলেন, একজন সেনা সদস্যকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রশিক্ষণ শেষে নতুন জীবনে পদার্পণ করা অফিসারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য আরও বেড়ে গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দক্ষ, মেধাবী ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন অফিসার তৈরির লক্ষ্যেই ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

এবারের ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত ১৮৪ জনের মধ্যে রয়েছেন ১৬৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী অফিসার। এছাড়াও ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া এবং মালদ্বীপের মোট সাতজন বিদেশি ক্যাডেট এখান থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।

অনুষ্ঠানে সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ এবং ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম। অন্যদিকে তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর অর্জন করেন ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’।

কুচকাওয়াজ শেষে নবীন অফিসাররা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন। পরে তাদের মা-বাবা ও অভিভাবকরা র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এদিন সেনাপ্রধান বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে নতুন ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি নবনির্মিত সিএমএইচ ভাটিয়ারি, বিএমএ পার্ক, সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্সেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত হলো নতুন একদল প্রশিক্ষিত ও প্রতিশ্রুতিশীল কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost