1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা: মুখোমুখি তুরস্ক-নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত

সিরিয়ার ইদলিবের আবু-জুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলা ঘিরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

গত সপ্তাহে সিরিয়ার ওই বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় ইসরায়েল। তাদের দাবি, ঘাঁটিতে তুরস্ক নিজেদের সেনা মোতায়েনের চেষ্টা করছে। তবে ইসরায়েলের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও তুরস্কের সেনা মোতায়েনের এই অভিযোগ নাকচ করেছে।

হামলার পর ইসরায়েল দাবি করে, বিমানঘাঁটিতে হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে সেখানে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধি দল গিয়েছিল। ইসরায়েলের অভিযোগ, ওই ঘাঁটিতে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছিল।

তবে তুরস্ক জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধি দল সেখানে গিয়েছিল কেবল বিমানঘাঁটিটির পুনর্গঠনের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করতে। সেখানে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা ছিল না।

সিরিয়ার একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার বরাতেও জানা গেছে, তুরস্কের প্রতিনিধি দলের সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিমানঘাঁটিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি পরিদর্শন করা।

এদিকে, ইসরায়েলি হামলায় আবু-জুহুর বিমানঘাঁটির রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর থেকেই ঘাঁটিতে তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ সামনে আসে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কের সেনারা ওই বিমানঘাঁটিতে যাওয়ার চেষ্টা করছে এবং উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, তুরস্কের সামরিক বাহিনী উত্তরাঞ্চলের দিকে আসবে—এটি ইসরায়েল মেনে নেবে না। কারণ, তাদের দৃষ্টিতে এটি একটি হুমকি।

তবে তুরস্কের পক্ষ থেকে এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর বৃহস্পতিবার ১৯ আগস্ট দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, নেতানিয়াহুর মতো ব্যক্তির ফাঁদে পা না দেওয়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা তুরস্কের রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা। তবে তুরস্ক সেই ফাঁদে পা দেবে না।

তুরস্কের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে, সিরিয়ায় তাদের সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না আঙ্কারা।

অন্যদিকে, সিরিয়ার ভেতরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়ায় বিভিন্ন দেশের সামরিক উপস্থিতি, নিরাপত্তা স্বার্থ এবং প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতার কারণে দেশটির পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

আবু-জুহুর বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুরস্ক ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সেই উত্তেজনাকেই আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

তবে এখন পর্যন্ত তুরস্কের পক্ষ থেকে সিরিয়ার ওই ঘাঁটিতে সেনা মোতায়েনের কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বরং আঙ্কারা বলছে, তাদের প্রতিনিধি দলের সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিমানঘাঁটির পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করা।

ফলে ইদলিবের এই বিমানঘাঁটি ঘিরে ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা আগামী দিনে কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost