1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা দায়ের

নুর ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: 
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলায় এক নারী পোশাক শ্রমিককে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। গত বুধবার ১৯/৮/২৬ ইং তারিখে ভুক্তভোগী নারী ভূ্ল্লী থানায় বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী (২৬) ভূল্লী উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বগুলাডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকাকালীন সময়ে বাবার বাড়ীতে অবস্থান করেন। এ সময় প্রতিবেশী আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী (নাপিতপাড়া) গ্রামের বদিউজ্জামান এর ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে রুমানাকে কুপ্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করে আসছিল। বিয়ে করবে মর্মে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাইতো। গত রমজান মাসে (১০ মার্চ, ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮:৩০ মিনিটে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শরিফুল ঘরে প্রবেশ করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এভাবে প্রায় বাড়ী পাশে ভূট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী নারী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তিনি বিষয়টি শরিফুলকে জানান এবং বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু শরিফুল বিয়ে করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। লোকলজ্জার ভয়ে রুমানা ঢাকা চলে যান এবং একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজে যোগ দেন। পরবর্তীতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটান।

গত জুন মাসে শারীরিক অসুস্থতা বাড়লে ঢাকার ‘সুফিয়া হাসপাতালে’ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, গর্ভপাতের পরেও তার পেটে ইনফেকশন বা জটিলতা রয়ে গেছে। এই পর্যায়ে বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু মাতব্বর ও আত্মীয়-স্বজনরা একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। ন্যায় বিচারের জন্য নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী নারী ভূল্লী থানায় হাজির হয়ে শরিফুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

ভিটেছাড়া করার হুমকি ও অবরুদ্ধ পরিবার: মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামি শরিফুল ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর চড়াও হন। মামলা প্রত্যাহার না করলে তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা, গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং প্রাণনাশের সরাসরি হুমকি দেন। এ বিষয়ে ভূল্লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী নারীর এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধান আসামি শরিফুলকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে সব ধরনের আইনি ও সামাজিক নিরাপত্তা দিতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost