1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

কৃষ্ণচুড়া গাছটি বাচতে চায়

মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৬ বার পঠিত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৯ নম্বর তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের তোরাবগঞ্জ বাজারের প্রধান সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় শতবর্ষী একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ। দীর্ঘদিন ধরে গাছটির ছায়া ও শীতল বাতাসে স্বস্তি খুঁজে পান স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

স্থানীয়দের দাবি, গাছটি শুধু একটি বৃক্ষ নয়—এটি তোরাবগঞ্জ বাজারের পুরোনো স্মৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের আবেগের অংশ। জানা গেছে, তোরাবগঞ্জ বাজারের পাশের বাসিন্দা মাস্টার মাহফুজুর রহমান বহু বছর আগে গাছটি রোপণ করেন। পরে গাছটি দুর্বল হয়ে পড়লে এর পরিচর্যার দায়িত্ব নেন আগামীর চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টিপু।

তিনি জানান, গাছটি লাগানোর পর একসময় প্রায় নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি নিজ উদ্যোগে গাছটির পরিচর্যা করেন। বর্তমানে গাছটি বড় হয়ে এলাকার মানুষের উপকার করছে। তবে রাস্তার কাজের জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে গাছটি কেটে ফেলার উদ্যোগের কথা জানতে পেরে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টিপুর দাবি, রাস্তার পাশে এখনো প্রায় চার ফুট জায়গা খালি রয়েছে। প্রয়োজন হলে রাস্তার দুই পাশ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করে গাছটি রেখেই উন্নয়নকাজ করা সম্ভব।

স্থানীয় ব্যবসায়ী পলোয়ান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী এম আলাউদ্দিনও শতবর্ষী গাছটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগেও গাছটি কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তখন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বাজার ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে গাছটি রক্ষা করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শতবর্ষী এই কৃষ্ণচূড়া গাছটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পথচারীদের ছায়া ও স্বস্তি দেয়। তাই রাস্তার উন্নয়নকাজ হলেও বিকল্প পরিকল্পনার মাধ্যমে গাছটি সংরক্ষণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

এ অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী গাছটি কেটে না ফেলে জনস্বার্থ ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা—উন্নয়ন হোক, রাস্তা হোক; তবে শতবর্ষের স্মৃতি বহন করা এই কৃষ্ণচূড়াটিও বেঁচে থাকুক আগামী প্রজন্মের জন্য।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost