এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয়গুলো নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে সিদ্ধান্তও নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে।
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধিবিধান পর্যালোচনা করবে। এরপর সবকিছু বিবেচনা করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষকরা সরকারি বা সরকার-অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের জন্য কোনো পৃথক বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই।
অর্থাৎ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডিগ্রি বা শিক্ষাগত সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়নি বলে জানান তিনি। তবে প্রার্থীদের অন্যান্য যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়গুলো নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
এর আগে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
এখন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।
Leave a Reply