1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন

চাচা ভাতিজা হত্যা মামলায় সাত জনের মৃত্যুদন্ড, অন্য সাত জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

রাশেদ মাহমুদ, ব্যুরো প্রধান জি বাংলা টিভি ময়মনসিংহ বিভাগ:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৯ বার পঠিত

জামালপুরের মাদারগঞ্জে আলোচিত চাচা ও ভাতিজাকে হত্যা মামলায় সাত জনকে মৃত্যুদন্ড ও অন্য সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সব আসামি এবং বাদীপক্ষ জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

নিহত মহর আলী গজারিয়া এলাকার আব্দুস সালাম দফাদারের ছেলে ও মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ভাতিজা স্বপন মিয়া একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সম্পর্কে তারা আপন চাচা-ভাতিজা। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাখাওয়াত, সোহেল, আল আমিন, সাদ্দাম, উজ্জল, অন্তর ও ফয়জুর। এছাড়াও চাঁন মিয়া, মো. জিয়ার, শাহ আলম, কাওসার, রিফাত, সুমন ও মোস্তফাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

এ ঘটনায় স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষের ভিত্তিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম দিদার বলেন, ২০১৬ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইছাহাকের সমর্থক ও আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে ওই বছরের ১০ এপ্রিল গজারিয়া গ্রামে যায় পুলিশ। মোস্তফার বাড়ি চিনতে না পেরে পুলিশ রাস্তার পাশে থাকা প্রতিবেশী মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়ার কাছে বাড়িটির অবস্থান জানতে চায়। তাদের দেখানো তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতে মহর ও স্বপনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মোস্তফা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মোস্তফার সমর্থক সাখাওয়াত ও সোহেল। পরে সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে তাদের জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার ভানু ফকিরের পাটক্ষেতে নেওয়া হয়। সেখানে মোস্তফার লোকজন মহর আলী ও তার ভাজিতা স্বপন মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পরে জবাই করে হত্যা করে।

ঘটনার তিন দিন পর ১৯ মে বিকেলে পাটক্ষেতে দুটি ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। স্বজনরা পরনের পোশাক দেখে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করেন। বিবাদীরা অ্যাসিড দিয়ে তাঁদের মুখমন্ডল বিকৃত করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে রেখে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় এবং ১৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। এই রায়ে সন্তষ্টি প্রকাশ করেছে বাদীপক্ষ।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost