ম্যাচজুড়ে স্পেনের চাপে পড়ে কার্যকর ফুটবল খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তারা মাত্র ৪৬৪টি সফল পাস দেয়, যেখানে স্পেনের ছিল ৮৫২টি। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে রেকর্ড ১১টি সেভ করতে হয়, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যে কোনো শট নিতে না পারা বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবেও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ে।
শেষ বাঁশির পর উত্তেজনা
ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণও সমালোচনার জন্ম দেয়। এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। শেষ বাঁশির পর লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। নাহুয়েল মলিনাকেও এক স্প্যানিশ খেলোয়াড়ের দিকে ঘুষি ছুড়তে দেখা যায়।
বিবিসির বিশ্লেষক ওয়েন রুনি বলেন, “খেলা শেষে এমন দৃশ্য দেখা সত্যিই লজ্জাজনক। কেউ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে, সেটিকে সম্মান জানানো উচিত ছিল।”
ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও স্বীকার করেন, স্পেনই ভালো খেলেছে। তিনি বলেন, “তারা এই জয়ের যোগ্য। এটাই বাস্তবতা।”
ফাইনাল অতিরিক্ত সময়ে গড়ালেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্পেনের হাতেই। পরিসংখ্যান, পারফরম্যান্স এবং মাঠের খেলায় সবদিক থেকেই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতে নেয় লা রোজা।
Leave a Reply