1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন

মক্কা চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বললেন সৌদি বাদশাহ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। তিনি বলেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্ষমতা শক্তিশালী হবে।

সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার মক্কায় অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় সম্মেলনে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিতে সই করে। পরে মঙ্গলবার জেদ্দায় অনুষ্ঠিত সৌদি মন্ত্রিসভার বৈঠকে চুক্তিটির গুরুত্ব তুলে ধরেন বাদশাহ সালমান। সৌদি প্রেস এজেন্সি বা এসপিএ তার বক্তব্য প্রকাশ করেছে।

বাদশাহ সালমান বলেন, মক্কার এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে তিন দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চুক্তির আওতায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াবে। পাশাপাশি যৌথ নিরাপত্তা জোরদার এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে তিন দেশ।

বিশ্লেষকদের কাছে চুক্তিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো—তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ, একটি দেশের ওপর হামলা হলে অন্য দুই দেশও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আওতায় সক্রিয় হতে পারে। এই ব্যবস্থা অনেকটা ন্যাটোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তি মূলত সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় এক বছর আগে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তির ওপর গড়ে উঠেছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও দেশ এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে এটি বৃহত্তর একটি সম্মিলিত নিরাপত্তা ও প্রতিরোধব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে।

তবে নতুন এই প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো, কমান্ড ব্যবস্থা ও কার্যপ্রণালি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে আগামী দিনে তিন দেশের সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা কোন পর্যায়ে যায়, সেদিকেই নজর রাখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost