পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূকে কেন্দ্র করে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলে কয়েকজন ফারুককে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তার দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ি দাবি করেছেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। বিষয়টি নিয়ে আগে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল বলে তিনি জানান।
এদিকে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে পুলিশ তদন্তের ওপরই নির্ভর করছে স্থানীয়রা।
Leave a Reply