দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ১৭ বছর বয়সী কিশোরী মোসা. তানজিলা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, পিবিআই। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন ও অলংকার। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তানজিলা। পরদিন সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকায় একটি পুকুর থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা হত্যা মামলা দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই ঢাকা জেলা।
তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ জুলাই গভীর রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে রানা হাওলাদার নামে ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বাসিন্দা এবং কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালাতেন।
পিবিআইয়ের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানিয়েছেন, তানজিলার সঙ্গে তার কয়েক মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের জেরে তিনি তানজিলাকে হত্যা করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার আলামত উদ্ধার করা হয়। এরপর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।
তবে এসব তথ্য পিবিআইয়ের তদন্ত ও আসামির জবানবন্দিভিত্তিক। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
Leave a Reply