1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত মুন্সী শহিদুর রহমান বিএম কলেজের এমপিওভুক্তির দাবি

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন শান্ত
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৪ বার পঠিত

মাগুরা শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের চুকিনগর এলাকায় মুন্সী শহিদুর রহমান বিএম কলেজ এর কলেজ কোড নং- ৩১০৬৯ ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ শিক্ষাগত তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) সোনারগঞ্জ রোড (পলাশী-নীলক্ষেত), ঢাকা-১২০৫, EIIN সার্টিফিকেট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শনাক্তকরণ নম্বর (EIIN):138508। আর এই ব্যানবেইস এ মুন্সী শহীদুর রহমান বিএম কলেজ নামে টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এইচএসসি (বিএম) শাখা, আড়পাড়া, শালিখা, মাগুরা ও খুলনা বিভাগ ঠিকানা দেওয়া।

মাগুরা শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান মুন্সী শহিদুর রহমানের নামে তার কনিষ্ঠ পুত্র মুন্সী কামরুজ্জামান (নবাব) ২০১৩ সালে চুকিনগর গ্রামে প্রায় ৫০ শতাংশ জমির উপর মুন্সী শহিদুর রহমান বি এম কলেজ স্থাপিত হয়। ২০১৬ সালে বোর্ড থেকে অনুমতি হয় দুইটা ট্রেড কম্পিউটার অপারেশন ও হিসাব বিজ্ঞান। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ২০১৮ সালে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার বিভিন্ন প্রবেশ পত্রে পরীক্ষার সেন্টার ৩১০১৬ বিহারী লাল শিকদার কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের নাম ৩১০৬৯ মুন্সী শহীদুর রহমান বিএম কলেজ পাওয়া যায়। বাংলাদেশ টেকনিক্যাল এডুকেশন বোর্ডের অধীনে ২০১৮ সালে মুন্সী শহীদুর রহমান বিএম কলেজ থেকে হিসাব বিজ্ঞান ট্রেডে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অংশ গ্রহণ করে তার মধ্যে উদাহরণ স্বরূপ পরীক্ষার্থীর নাম ছিলো রাবেয়া খাতুন, তার প্রবেশ পত্রে রোল নম্বর ৫৭৩৪৪০, রেজিষ্ট্রেশন ২৪০০০৬৮৭৮৫ এবং কম্পিউটার অপারেশন ট্রেড থেকে সুমন বিশ্বাস রোল নম্বর ৫৭৩৪৪৪, রেজিষ্ট্রেশন ২৪০০০৬৮৮১৯ তাদের পরীক্ষার সেন্টার ছিলো বিহারী লাল শিকদার কলেজে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় পাঁচশতাধিক শিক্ষার্থী মুন্সী শহীদুর রহমান বিএম কলেজে লেখাপড়া করেছে বলে জানা যায়।

অক্সফোর্ড ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মাগুরা। এই ইউনানি কলেজের প্রভাষক ও মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ জানান, একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার দায়িত্ব অনেক ব্যাপক। প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষের ভূমিকা ভিন্ন হলেও দুজনেরই কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। কলেজটির ভিত্তি স্থাপন থেকে শুরু করে পরিচালনা পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে তাঁদের যে ধরনের পরিশ্রম করতে হয়। প্রতিষ্ঠাতার পরিশ্রম: অর্থায়ন ও অবকাঠামো, কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দান, তহবিল সংগ্রহ এবং স্থায়ী ক্যাম্পাস বা ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা।

অনুমোদন ও আইনি লড়াই: বাংলাদেশ টেকনিক্যাল এডুকেশন শিক্ষা বোর্ড বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন মেনে কলেজের অনুমোদন ও স্বীকৃতি আদায়ের জন্য দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। লক্ষ্য নির্ধারণ কলেজের মূল দর্শন ও লক্ষ্য ঠিক করা এবং সেই অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা। অধ্যক্ষের পরিশ্রম প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা: একাডেমিক কার্যক্রম তদারকি, শিক্ষক ও কর্মচারীদের পরিচালনা এবং শিক্ষা নীতি ও সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করা। শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ: শিক্ষার্থীদের ভর্তি, পরীক্ষা, ফলাফল এবং বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সংকট সমাধান: শিক্ষক সংকট, শ্রেণিকক্ষ ও আবাসন ঘাটতি, এবং যেকোনো শৃঙ্খলামূলক বা সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া।

মুন্সী শহীদুর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মুন্সী কামরুজ্জামান (নবাব) জানান, এই কলেজটি স্থাপিত হয় ২০১৩ সালে আর ২০১৭ সালে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি অনুমতি পায়। এছাড়া ২০২৫-২৬ সাল পর্যন্ত অ্যাপিলেশান ফি পরিশোধ আছে। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দেয়। কলেজের নামে জমি আছে ৫০ শতক, ঘর আছে দুইটা, দক্ষিণ পাশের পাকা ঘরটিতে অধ্যক্ষের রুম, স্টাফদের রুম ও দুটি রুমে ক্লাস হয়। পশ্চিম পাশে লম্বা আধাপাকা টিনের ঘর আছে। ২০২৩ সালে এই কলেজ থেকে কুমোর কোটা গ্রামের জান্নাত খাতুন বিএম শাখা থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে মাগুরা জেলা থেকে প্রথম পুরস্কার পেয়েছিল।

সম্প্রতি কলেজে সরকারিভাবে বিল্ডিং এর জন্য দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ হওয়ার পর একটা কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান আওয়ামী লীগ সরকার শাসন আমলে শ্রী বিমল শিকদার আমার নামে মিথ্যা মামলা ও আমার কলেজের শিক্ষার্থীদের নামেও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। আমার বড় অপরাধ আমার পরিবারের সবাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে রাজনৈতিক ভাবে জড়িত ও বিএনপি দল করে এজন্য। তাই আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী ও মাগুরা-২ এমপি এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এবং শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি আমার কলেজটির উন্নয়ন ও এমপিও আওতায় করে দিবেন।

শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, আমি খোঁজখবর নিয়েছি এবং কলেজটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে। শালিখা আড়পাড়া এলাকাবাসীর শিক্ষানুরাগী সচেতন মহলের লোকজন মুন্সী শহিদুর রহমান বিএম কলেজের নামে মিথ্যা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost