সমাজের পরিবর্তিত বাস্তবতায় বিবাহবিচ্ছেদের পর নতুন জীবন শুরু করতে আগ্রহী নারীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেক নারী দ্বিতীয় বিয়ে করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলেও, তাদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা হয়ে দাঁড়ায় প্রথম সংসারের সন্তান।
সামাজিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অধিকাংশ মা নিজের ব্যক্তিগত সুখের চেয়ে সন্তানের নিরাপত্তা, মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়া সত্ত্বেও তারা দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন অথবা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিতীয় বিয়ে কোনো সমস্যা নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন পরিবারে শিশুর প্রতি গ্রহণযোগ্যতা, সম্মান এবং নিরাপদ আর ঐ সন্তানের আচারন,পরিবেশ নিশ্চিত করা। যদি নতুন জীবনসঙ্গী সন্তানের দায়িত্বকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন, তবে একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল পারিবারিক পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
আর যদি সন্তানের আচারন ও চালচলবে নতুন সংসারে ব্যাগাত ঘটে,তাহলে দ্বীতিয় বিয়েটাও হয়ে উঠে নরগের মত, সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, একজন একক মায়ের দ্বিতীয় বিয়েকে শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং তার সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা উচিত,পাশাপাশি সন্তানকেও সেই ভাবে গড়ে তুলা একজন নারীর গুরুদায়িত্ব। একই সঙ্গে সমাজেরও প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানবিক সহমর্মিতা।
সচেতন মহলের অভিমত, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত—”শিশুটির ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ এবং সন্তানের কেমন আচারন?” কারণ একটি শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে পারলেই নতুন সংসারও হতে পারে সুখী ও সফল।
Leave a Reply