জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণ ছিল গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনামূলক। এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা ও উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। জনগণের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তৈরি হয়।
এ সময় তিনি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এসব মূল্যবোধের মধ্য দিয়েই দেশের উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পরদিনই রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এই অভিনন্দন জানানো হলো।
রাষ্ট্রপতির বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণে দেশের জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং জবাবদিহিতার বিষয়গুলো বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
Leave a Reply