বিনা দরপত্রে সরকারি ১৮টি বাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
২০০৭ সালে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিনা দরপত্রে সরকারি ১৮টি বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতি করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৯ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এসব মামলার অভিযোগ থেকে মির্জা আব্বাসকে খালাস দেন। আদালতের এই রায়ের পর বিএনপির রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মামলাগুলো দায়েরের সময় সরকারি সম্পত্তি বিক্রিতে অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতির অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত মির্জা আব্বাসকে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
এদিকে একই সময়ে দেশের চলমান সার সংকট নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সার সংকটের কারণে কৃষকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের মতো সারের সংকটও যথাযথভাবে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ এ সময় সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সার সংকটের কারণে কৃষকদের ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। তার অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই সরকার বিতর্কিত আইন পাসের চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন সংকট সমাধানে বিরোধী জোট সংসদ ও রাজপথে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করবে।
অন্যদিকে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি দুর্নীতি মামলায় আদালতের খালাসের রায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালতের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এখন রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
তবে আদালতের এই রায়ে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিনা দরপত্রে সরকারি বাড়ি বিক্রি ও রাষ্ট্রের অর্থ ক্ষতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি মামলার বিচারিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
Leave a Reply