গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও কমছে না বিদ্যুতের ভোগান্তি। বরং একদিনের ব্যবধানে বিদ্যুতের ঘাটতি বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, পিজিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি ছিল প্রায় ৩ হাজার ৮১ মেগাওয়াট। আগের দিন একই সময়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ১ হাজার ৫৩৯ মেগাওয়াট।
পিডিবি জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬০০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমেছে। কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর জন্য প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। পাঁচ দিনের মধ্যে ইউনিটটি চালু হতে পারে বলে আশা করছে পিডিবি।
এদিকে বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। তারপরও বিদ্যুতের ঘাটতি কেন বাড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু গ্যাস সরবরাহ বাড়লেই সংকট পুরোপুরি কাটে না। বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জ্বালানি সংকটও উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।
ফলে গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু, বয়স্কসহ সব শ্রেণির মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। দ্রুত বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করে লোডশেডিং কমানোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
Leave a Reply