1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণের বেশি - Channel G Bangla
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ বার পঠিত

তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১০ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ১০০ দশমিক ১১ শতাংশ।

এই প্রবৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির তুলনায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। একই সময়ে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জুলাই-সেপ্টেম্বরে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার।

তুরস্কে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। এর পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, জুতা, অপটিক্যাল সামগ্রী এবং চিকিৎসা ও বস্ত্রশিল্পের বিভিন্ন সরঞ্জামও দেশটিতে রপ্তানি হচ্ছে।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, তুরস্কের বাজারে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের চাহিদাও কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসানের মতে, তুরস্কে জীবনযাত্রার মান ও আয় বাড়ার কারণে স্থানীয় শ্রমবাজারে পোশাক উৎপাদনে পরিবর্তন আসছে। এতে বিদেশি পোশাকের চাহিদা বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তার মতে, বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের মান, প্রতিযোগিতামূলক দাম এবং সময়মতো সরবরাহের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে তুরস্কের বাজারে আরও বেশি প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তবে এ জন্য পণ্যের বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষ করে উচ্চমূল্যের পোশাক, মানবসৃষ্ট তন্তু ও কারিগরি বস্ত্রের পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, জুতা এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়েও বিভিন্ন উদ্যোগ চলছে। গত জুনে বাংলাদেশ সফরে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান দুই দেশের বর্তমান প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার উদ্যোগের কথা জানান। দুই দেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় নিয়েও আলোচনা করেছে।

এ সময় বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে বস্ত্র ও পোশাক খাতে সহযোগিতা, কাঁচামাল ও আধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি এবং যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাও গুরুত্ব পেয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির এই ধারা ধরে রাখতে হলে প্রচলিত তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন পণ্যের বাজার খুঁজে বের করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা, ক্রেতা-বিক্রেতা বৈঠক এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে তুরস্কের ক্রেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।

সব মিলিয়ে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণের বেশি বেড়ে যাওয়ায় দেশটির বাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি পাট, জুতা, কারিগরি বস্ত্রসহ নতুন পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো গেলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost