গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামী নমনীয় অবস্থান নিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের এক মাস না যেতেই জামায়াতের আমির আওয়ামী লীগের প্রতি সাধারণ ক্ষমার অবস্থান নেন। রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, ভোটের রাজনীতির কারণে এমন অবস্থান নেওয়ায় আওয়ামী লীগের বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং দলটি ধীরে ধীরে রাজনৈতিকভাবে ‘নরমালাইজড’ হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে ও গোপনে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। তার দাবি, আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংককে কাজে লাগানোর রাজনৈতিক হিসাব থেকেই জামায়াত তাদের প্রতি নমনীয়তা দেখিয়েছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, অপরাধের বিচার না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকেও তিনি এ ধরনের ‘বেপরোয়া আচরণের’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রতি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন বন্ধের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের অপরাধীদের বিচারের দাবিতে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রাশেদ খাঁনের দাবি, বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের বিচার করবে। আর ভোটের স্বার্থে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে দলটি আবারও রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারে।
Leave a Reply