1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

প্রায় ৩ বছর পর নকলায় ভ্যানচালক আ. মন্নাছ হত্যা রহস্য উদঘাটন

রাশেদ মাহমুদ, ময়মনসিংহ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় নারীর প্রলোভনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ভ্যানচালক আ. মন্নাছকে হত্যার প্রায় তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধু মোস্তাকিন, স্বপন ও শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকালে জেলা শহরের পুরাতন গরুহাটি এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
পিবিআই জানায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নকলার পাঠাকাটা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আ. মন্নাছকে নারীর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যান তার তিন বন্ধু মোস্তাকিন, স্বপন ও শাহীন। পরে রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘমারী বিলের কাছে নিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বিলের কাদা ও কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রেখে মন্নাছের ভ্যানগাড়ি নিয়ে চলে যান তারা।
পরে ভ্যানটির ব্যাটারি ১৪ হাজার টাকা এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নেন আসামিরা।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আছমা আক্তার নকলা থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নেয়।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, মামলাটি তদন্তের সময় বিভিন্ন পর্যায়ে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। প্রথমে এসআই রফিকুল ইসলাম মামলাটির তদন্ত করেন। পরে বদলিজনিত কারণে এসআই জাহাঙ্গীর আলম তদন্তভার গ্রহণ করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও মামলার বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাদের শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে নিহতের স্ত্রী আছমা আক্তার বলেন, দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর স্বামীর হত্যাকারীদের দেখতে পেয়ে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন। তার স্বামী ছিলেন নিরীহ মানুষ, কারও সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
আছমা আরও বলেন, স্বামীই ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। তার মৃত্যুর পর ছোট সন্তানকে নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটছে তার। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে এখন সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সংসার চালাতে সরকারের সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি।
দীর্ঘ তিন বছর পর হত্যার রহস্য উদঘাটন হলেও স্বামী হারানোর শূন্যতা কি আর কখনো পূরণ হবে? এখন ছোট সন্তানকে নিয়ে নতুন করে বাঁচার লড়াই আছমার।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost