সিলেটে তীব্র দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। শহর ও গ্রামাঞ্চলে ঘণ্টায় ঘণ্টায় অনিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সোমবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাহত হচ্ছে অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে পানীয় জলের সংকটও।
বিদ্যুতের দুর্ভোগে ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা রোববার রাতে সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় জেনারেটর চালাতে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ফ্রিজ ও এসি ঠিকভাবে চালানো না যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে-রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।
সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সিলেটে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৪৭ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ২০২ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ৪৫ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন জানিয়েছেন, সারাদেশেই বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট চলছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিং কমবে। তবে সরবরাহে ঘাটতি থাকলে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
Leave a Reply