1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

দুর্গম চরে গভীর রাতে হামলা: নারীদের জিম্মি করে লুটপাট

রাশেদ মাহমুদ, ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত
নারীদের জিম্মি করে লুটপাট

ইসলামপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের কাশারীডোবা আমতলী গ্রামে জয়নাল আবেদীন ও নজরুল ইসলাম বাদশার বাড়িতে এই তাণ্ডব চালানো হয়। হামলাকারীরা ঘরের নারীদের জিম্মি করে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, জমির গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও দুটি গরু লুট করেছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম বাদশার ছেলে বাবু মিয়া দাবি করেন, একই গ্রামের সোলায়মান হকের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল অতর্কিত এই হামলা চালায়। এ সময় তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। তার মা নাজমা আক্তারের হাত-পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে রাখা হয় এবং স্ত্রী লিমা আক্তারের গলায় ছুরি ধরে জিম্মি করে রাখা হয়।

আরও পড়ুন, 

আহত নাজমা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে উল্লেখ করেন, হাত-পা বাঁধা থাকায় তিনি বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ পাননি। তার চোখের সামনেই হামলাকারীরা ঘরের সবকিছু ভেঙে ফেলে এবং স্টিলের ট্রাংক ভেঙে নগদ সাড়ে সাত লাখ টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। বাবু মিয়া আরও জানান, নগদ টাকা ও গহনার পাশাপাশি দুটি বড় গরুও জোর করে টেনে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ছাগলে পাটক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে সোলায়মান হক ও জয়নাল আবেদীনের লোকজনের মধ্যে বিরোধ ও সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই ঘটনায় জয়নাল আবেদীন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ভুক্তভোগীদের ধারণা, সেই অভিযোগের জের ধরেই এই নতুন হামলা চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন, 

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে অন্তত ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ইসলামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বিবাদী রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ১৫ জুলাইয়ের সংঘর্ষে আহত তার বাবা ও চাচা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও তাদের সঙ্গে সেখানে অবস্থান করছেন এবং গত রাতের হামলার বিষয়ে কিছুই জানেন না। অন্যদিকে অভিযুক্ত সোলায়মান হকের বাড়িতে গিয়ে কোনো পুরুষ সদস্যকে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী রিক্তা বেগম দাবি করেন, তার স্বামী জামালপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং গভীর রাতের ঘটনার বিষয়ে তিনি মোটেও অবগত নন।

দুর্গম চরাঞ্চলে এমন ভয়াবহ হামলার পর ভুক্তভোগী পরিবারসহ পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।ইসলামপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, সাপধরী ইউনিয়ন কাঁশারীডোবা এলাকার এধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost