লালমনিরহাট-বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়ক ফোর লেন করা হবে দ্রুত বলে জানান মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি মহোদয়।
লালমনিরহাট বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রায় ১ হাজার পন্যবাহি ট্র্যাক চলাচল করে থাকে। বিকাল ৪ টার পড়ে স্থলবন্দর থেকে পন্যবাহী ট্যাক ছাড়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় মালামাল বাহি পন্য বোঝাই ট্র্যাক।
লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে বুড়িমারী স্থলবন্দর। লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের মধ্যে ৫০ টির বেশি বাক রয়েছে এবং রেল ক্রসিং রয়েছে প্রায়১০/১১ টি বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়। বিশেষ করে ট্র্যাকের মধ্যে ২৫ টনের পরির্বতে ৭০/৮০ টন পন্যবোঝাই ট্র্যাক স্থল বন্দর থেকে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দিয়ে থাকে ট্রয়াক চালকরা। অতিরিক্ত মালামাল নেয়ার ফলে প্রায় প্রায় সড়কের মধ্যে মোড় ঘুরাতে গিয়ে উল্টে পড়ে যায় ট্র্যাক। বিশেষ করে পাথর বোঝাই ট্র্যাকগুলো মহা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে রাখে পুলিশের ভয়ে সন্ধ্যার পড়ে ট্র্যাক গুলো ছেড়ে থাকে। লালমনিরহাট মহা- সড়কের প্রস্থ ২৪ ফিট, মহাসড়কের প্রস্থ কম হওয়ায় প্রায় প্রায় লোড বাহী ট্র্যাক সড়ক থেকে খাদে পড়ে যায় এবং প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের মধ্যে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে থাকে এর মূল কারণ হচ্ছে সড়কের প্রস্থ কম হওয়ার ফলে। একটি ট্র্যাক আরেকটি ট্র্যাককে কাটাতে পারে না, কাটাতে হলে নূন্যতম ৩০/৩৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে। প্রস্থ কম একমাত্র লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের আর কোথাও এতো কম প্রস্থ মহা সড়ক নাই কোথাও।
লালমনিরহাট সড়ক বিভাগ থেকে জানান এতো কম প্রস্থ মহাসড়ক কোন জেলায় নাই অথচ স্থল বন্দর থাকা সত্বেও মহা সড়কের প্রস্থ বাড়াতে পারে নাই। মহা সড়কের প্রস্থ নূন্যতম ২৪ ফিট লাগে কিন্তু লালমনিরহাটে মহাসড়কের প্রস্থ বাড়াতে পারে নাই এটা এ জেলার রাজনৈতিক দলের অবহেলা ছাড়া আর অন্য কিছু না, নেতারা ইচ্ছে করলেই পাড়তো সড়কের দু’ধারে ৩ ফিট করে প্রস্থ বাড়াতে পাড়তো।
ফোর লেন একটি মেগা প্রকল্প ওই প্রকল্পের দিকে না তাকিয়ে মহা সড়কের প্রস্থ বাড়ানো প্রয়োজন ছিলো ১৫/২০ বছর আগেই।
লালমনিরহাট জেলা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি লালমনিরহাট মহা-সড়ক ফোর লেন করার জন্য মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি মহোদয় এর সুদৃষ্টি কামনা করেছে ৫ টি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের দাবি একটাই ফোর লেন মহাসড়ক চায়।
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে ফাইলপত্র পাটিয়ে দিয়েছে
সড়ক মন্ত্রনালয়ে। বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত ফোর লেন মহাসড়ক প্রকল্পটি পাশ হয়েছে।
২৭ সালে প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাট জেলায় আসবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজের ভিত্তি প্রস্থর দিবে এবং ফোর লেনের কাজেরও ভিত্তি দেয়া হবে। জেলা শহরের মধ্যে দিয়ে ফোর লেন মহাসড়ক করতে হবে এ-র কারণ হচ্ছে জেলা শহরের ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে হলে শহরের মধ্যে ছাড়া বিকল্প পথ নেই।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সদর উপজেলার মধ্যে দিয়ে ফোর লেন মহাসড়ক করা হলে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫০ টিরও বেশি বাক রয়েছে এবং রেল ক্রসিং রয়েছে প্রায় ১০/১১ টির বেশি। প্রতিদিন লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের প্রস্থস্ত কম হওয়ার ফলে প্রায় দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মহা সড়কের মধ্যে বড় বড় গত হওয়ার ফলে সড়কটি মৃত্যু উপর্যোপুড়ি হয়ে পড়ে ।
Leave a Reply