নেপালের সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার সকালে চীনের তিব্বত অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে পানি ও কাদা নেমে এসে মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নেয় ঘরবাড়ি ও যানবাহন।
বন্যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে রাসুয়া জেলার সায়াফুরবেশি এলাকায়। পানির স্রোতে অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কৈলাশ মানস সরোবরে যাওয়া প্রায় ৪০০ পর্যটকেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ১৪০ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নেপালের সেনাবাহিনী দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। ১৪টি হেলিকপ্টার এবং কয়েকশ উদ্ধারকর্মীকে কাজে নামানো হয়েছে। দুর্গম এলাকায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে চালানো হচ্ছে ব্যাপক তৎপরতা।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লেন্দে নদীতে বরফধসের কারণে পানির প্রবাহ আটকে যায়। পরে তিব্বতে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পের সময় জমে থাকা বরফ ও পানি হঠাৎ নেমে আসে। এতে ভোতেকুশ নদী দিয়ে বিপুল পানির স্রোত নেপালের দিকে ধেয়ে যায়।
প্রবল স্রোতে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। উদ্ধারকাজ চললেও দুর্গম ভূখণ্ড ও যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
Leave a Reply