তেহরানকে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তিতে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করলে মার্কিন কোম্পানি ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে দেশটির তেল ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা যদি ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক যুদ্ধে অংশ নেয়, তাহলে তাদেরও শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তাদের স্বার্থে আঘাত হানা হবে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন মাত্রায় অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা আরোপের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে যেসব দেশ ইরানকে সহায়তা করবে, তাদেরও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
রেজায়ি বলেন, এখন পর্যন্ত ইরান মূলত সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য হবে।
ইরানের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট মার্কিন প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনার নাম জানানো হয়নি। তবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন কোম্পানির বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকারদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে সাইবার হামলা চালিয়ে চার দিন কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগও উঠেছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ শেষ করতে চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে তেহরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ ও পাল্টা হামলার হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
Leave a Reply