পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে মারধর, দাঁত ভেঙে দেওয়া, ব্লেড দিয়ে চুল কেটে দেওয়া এবং যৌনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর স্বজনদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী কনিকা রায় ওরফে কুলসুম বেগমের অভিযোগ, ধর্মান্তরিত হয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে এ হামলা চালানো হয়। ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১২ জুন হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর কুলসুম বেগম নাম নিয়ে দারগালীকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর চর সোনাপোতা আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার রাতে অভিযুক্তরা ঘরে ঢুকে প্রথমে ধর্মান্তর ও বিয়ের কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার স্বামী এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
এ ছাড়া ঘরে থাকা নগদ টাকা ও মালামাল লুট এবং কয়েকটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে কুলসুম সেখানে চিকিৎসাধীন।
দেবীগঞ্জ থানার ওসি মুসা মিয়া জানান, মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
Leave a Reply