শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি এলাকায় পদ্মা নদীর তীররক্ষা বেড়িবাঁধের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত একটি দোকানকে কেন্দ্র করে উন্নয়নকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রঞ্জন ছৈয়ালের কান্দি গ্রামের বাসিন্দা হকসাব ছৈয়াল প্রায় দুই থেকে আড়াই মাস আগে চলমান বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের মধ্যেই বেড়িবাঁধের ওপর দোকানটি নির্মাণ করেন। অথচ জায়গাটি সম্পূর্ণভাবে বাঁধের আওতাভুক্ত হওয়ায় সেখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মা তীররক্ষা বাঁধের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। কিন্তু অবৈধ ওই দোকানটি অপসারণ না হওয়ায় নির্মাণকাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ স্থবির হয়ে পড়েছে। কাজের দায়িত্বপ্রাপ্তরা দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে শুক্রবার স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে দ্রুত দোকানটি অপসারণের দাবি জানান। তাদের বক্তব্য, একজনের ব্যক্তিস্বার্থের কারণে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হতে পারে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পদ্মার ভাঙন থেকে হাজারো মানুষের জীবন, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার জন্য নির্মিত হচ্ছে এই তীররক্ষা বাঁধ। সেখানে অবৈধ স্থাপনা রেখে উন্নয়নকাজে বাধা সৃষ্টি করা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, জননিরাপত্তার প্রতিও হুমকি। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবৈধ দোকানটি উচ্ছেদ করে বাঁধের নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply