1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন

মিসরের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে মিসরের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা। বিশেষ করে সিনাই উপদ্বীপে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং আধুনিক অস্ত্র সংগ্রহকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের বিভিন্ন নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক মহল।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আলোচনায় এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে মিসরের সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচি।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম নিউজ–১ দাবি করেছে, দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গত কয়েক বছর ধরে মিসরীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্র সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং সামরিক অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কিছু নিরাপত্তা মূল্যায়নে মনে করা হচ্ছে, মিসরের সাম্প্রতিক সামরিক ক্রয় ও প্রস্তুতির পরিসর শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা বা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রয়োজনীয়তার চেয়েও বেশি। ফলে ইসরায়েলি মহলে প্রশ্ন উঠেছে—মিসরের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা কী হতে পারে।

বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সিনাই উপদ্বীপে মিসরের সামরিক তৎপরতার ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে ইসরায়েল। অঞ্চলটিতে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ, লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামরিক সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সিনাই উপদ্বীপ ইসরায়েলের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল। কারণ ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক মিসর-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির আওতায় এই এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

তবে একইসঙ্গে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিনাই অঞ্চলে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় গত কয়েক বছরে মিসর ও ইসরায়েলের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সমন্বয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা, গাজা যুদ্ধ, ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা এবং পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রায় সব দেশই নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পথে হাঁটছে। মিসরও সেই ধারার বাইরে নয়।

তবে ইসরায়েলের উদ্বেগের মূল কারণ হলো—সামরিক শক্তির এই সম্প্রসারণ ভবিষ্যতে শুধু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নাকি বৃহত্তর কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণে মিসরের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং সিনাই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ ভূমিকা আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost