বুধবার সকাল ১০টায় জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। দৈনিক যুগান্তর ও এসএ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি কেএম রায়হান কবির সোহেল, সাপ্তাহিক শরীয়তপুর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আমিনুল হক দুলাল ও দৈনিক অগ্নীশিখা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইব্রাহীম পেশাগত কাজে তথ্য সহায়তা চেয়ে জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শারমিন আক্তারের সাথে স্বশরীরে ও মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে আজ সকাল ১০টার গণপূর্ত বিভাগের জেলা কার্যালয়ে গেলে তাঁরা নাজেহালের শিকার হন।
এ সময় তথ্য সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার কাইয়ুম খান তেড়ে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তিনি মারমুখী হয়ে উঠেন। গনপুর্ত কার্যালয়ে এসময় অবস্থানরত কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা আব্দুল জাব্বার খান ঠিকাদারকে ভর্ৎসনা করে শান্ত করেন।
এরপর সাংবাদিকগণ প্রকৌশলী শারমিন আক্তারের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তাঁকে অবগত করে তীব্র প্রতিবাদ করলে উক্ত যুবদল নেতা ঠিকাদার কাইয়ুম খানকে তাৎক্ষণিক ক্ষমা চাইতে বলেন। ঠিকাদার ক্ষমা চাইলেনও এতে সাংবাদিকগণ সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তাঁরা এ ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত বলে আখ্যায়িত করেন। এর সঙ্গে গণপূর্ত প্রকৌশলী শারমিন আক্তার জড়িত বলে তাঁরা দাবি করেন। ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ ইব্রাহীম বলেন, আমরা গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একটি কাজের অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা করছি।
সপ্তাহখানেক আগে আমরা এ প্রসঙ্গে তার কাছে লিখিত তথ্য চেয়েছি। আজ তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা অনভিপ্রেত ঘটনার শিকার হয়েছি। গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আগে থেকেই ঠিকাদারকে ডেকে এনে সেখানে বসিয়ে রেখেছিলেন। আমরা যাওয়া মাত্র ঠিকাদার আমাদের তেড়ে এসে নাজেহাল করেন। মূলত কাজের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতেই নির্বাহী প্রকৌশলী পূর্বপরিকল্পনাযায়ী এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
পরে তথ্য না নিয়েই সাংবাদিকরা চলে আসেন।
Leave a Reply