অবশেষে নিজ মুখেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করলেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণেই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
পদত্যাগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।’
পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, ‘বলে দিছি, বুঝে নেন।’
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনার মধ্যেই চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তিনি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন। সেখানে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
এদিকে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন আগেই রাষ্ট্রপতি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তাকে পদ ছাড়তে হতে পারে। যদিও ‘ওরা’ বলতে তিনি কাদের বুঝিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার সাংবিধানিক মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে।
Leave a Reply