বগুড়ার সিলিমপুর ও মালগ্রাম এলাকার মাঝামাঝি দীঘিপাড়া থেকে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী লাশের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি নিঝুম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম (৩৭)।
এ ঘটনায় কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রামের বাবলুর ছেলে এবং একটি বেসরকারি এনজিওর অফিস সহকারী তৃতীয় লিঙ্গের নাজিম উদ্দিন (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বর্তমানে বগুড়া সদর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। একই ঘটনায় তাঁর বন্ধু স্বপনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৭ আগস্ট ওয়াহেদ হোসেনকে সিলিমপুর ও মালগ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে পান করানো হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে মারা যান বলে অভিযোগ রয়েছে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ফাঁকা জায়গায় ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
গত ১২ আগস্ট সিলিমপুর-মালগ্রাম মাঝামাঝি দীঘিপাড়া এলাকা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ। পরে স্বজনরা মরদেহটি ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম কতির বলে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নাজিম উদ্দিনকে আদালতে নেয়া হলে তাঁর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
Leave a Reply