1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও ভাতা দিচ্ছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত

দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

নতুন এই নীতিমালার আওতায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী, ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তাদের এই অবদান বিবেচনায় নিয়েই আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত, সেবক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সম্মানী দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়মিত আয় ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ানো। এর মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও সহায়তা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

তবে উদ্যোগটি শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পেশাগত ও ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিকল্পভাবে আয় করার সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

সরকার বলছে, দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সামাজিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও সেবকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

নতুন নীতিমালার মাধ্যমে তাদের এই অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

একই সঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে সরকার।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost