সবার আগে বাংলাদেশ—আর সেই বাংলাদেশের ভিত্তি হতে হবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। এমন মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সিপিডি ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
‘সরকার কি প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় কয়েকটি বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। আবার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী সংকটে রয়েছে, আর মেধাবীদের একটি বড় অংশ শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহী হচ্ছে না।
তিনি বলেন, শ্রমজীবী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের সন্তানদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা থেকে বঞ্চনার চেয়ে বড় বৈষম্য আর কিছু হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় ছেলে-মেয়ের অংশগ্রহণে সমতা এলেও ধনী ও দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুযোগের মধ্যে এখনো বড় ব্যবধান রয়েছে। শুধু স্কুলে উপস্থিতি নয়, শিক্ষার্থীদের জীবনদক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
সিপিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে অতীতে অগ্রগতি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে নানা চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। শিক্ষার বিভিন্ন ধারার মধ্যে বৈষম্য কমানো এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে নীতিগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
Leave a Reply