পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন—সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার সানা উল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার ওমর শরীফ, মো. আতাউল ওসমান গনি, ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম রফিক, যুগ্ম সদস্য সচিব মাসিকুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব: ইন্জিনিয়ার তাহমিদ তালুকদার, আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নবী হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক সম্পাদক আকলিমা আক্তার আঁখি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু রাসেল শেখ এবং সদস্য এভারেস্ট, সাদ্দাম হোসেনসহ ১৪ জন নেতা পদত্যাগ করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তারা অভিযোগ করেন, গত ৭ আগস্ট ঘোষিত উপজেলা এনসিপির আহবায়ক কমিটিতে রাজনৈতিক ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন রয়েছে—এমন কয়েকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দিন সংঘটিত একটি হত্যা মামলার এক আসামিকেও কমিটির ২ নম্বর যুগ্ম আহবায়ক পদে রাখা হয়েছে।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টির সাবেক কয়েকজন নেতা-কর্মীকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পদত্যাগকারীরা আরও বলেন, কমিটি গঠনের আগে স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা পরামর্শ করা হয়নি। বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। জুলাই আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠনের শুরু থেকেই তারা সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। দলের আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জুলাইয়ের চেতনার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তারা বর্তমান কমিটির বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।
এ সময় তারা কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার সানা উল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম রফিক, আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, সাংগঠনিক সম্পাদক নবী হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পদত্যাগকারীদের মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই শহীদ হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আঁখিও ছিলেন।
Leave a Reply