রাজধানীর সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে এক সাংবাদিককে নির্মমভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। হলের একটি কক্ষকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আহত সাংবাদিক ও তার সহপাঠীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পাঠানো হয়েছে।
চকবাজার থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুলাই দিবাগত রাতে হলের ৩৬৮ নম্বর কক্ষ দখলকে কেন্দ্র করে একদল শিক্ষার্থী প্রথমে আমিনুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থীকে কক্ষ থেকে বের করে দেয় এবং তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দেয়।
পরদিন ১৯ জুলাই গভীর রাতে আমিনুল ইসলাম হলে ফিরে এলে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান সাংবাদিক ও শিক্ষার্থী মিয়াদ হাসান। অভিযোগ অনুযায়ী, তখন হামলাকারীরা তার ওপরও এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখমের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আহত দুইজনকে পরে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে মারুফ বিল্লাহ (মুনাইম মারুফ), জহির, সাকিব, সিরাজ, জয়নালসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
Leave a Reply