1. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  2. admin@channelgbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে এক হাজার পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ১

মো: নুর ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তি জেলা ঠাকুরগাঁওকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালালনা করে আসছে প্রশাসন। অভিযানের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. সুমন ওরফে ঝালাই সুমন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৬ জুলাই) আনুমানিক ১১টা ১০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সদর থানার জিডি নং-৩৩২-এর ভিত্তিতে রাত্রীকালীন মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসআই (নিঃ) মো. মাজহারুল আলমের নেতৃত্বে এএসআই (নিঃ) সাদ সালমান হোসেন, এএসআই (নিঃ) মো. জোবায়দুল, এএসআই মো. শাকিব, এএসআই সারোয়ার জাহানসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা সদর উপজেলার ১৩ নম্বর গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গি পুকুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন, 

অভিযান চলাকালে নূরে আলমের মুদি দোকানের সামনে পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত মো. সুমন ওরফে ঝালাই সুমনকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা একটি লাল রঙের প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ তল্লাশি করে একটি শপিং ব্যাগের ভেতর থেকে ১ হাজার পিস কমলা রঙের নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের পাতায় Tapentadol Tablets 100 mg এবং Manufactured in India by SUN Pharma Laboratories Limited লেখা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মো. সুমনের পিতা মৃত তৈয়বুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার শাপলা বাড়ী (বড় মসজিদের পাশে)। বর্তমানে তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চোঙ্গাখাতা এলাকায় বসবাস করছিলেন।

আরও পড়ুন, 

এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-এর ৩৬(১) সারণির ২৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা নং-১৫/২১৮, তারিখ ৭ জুলাই ২০২৬ রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজন ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। এছাড়া ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাজাহান আলী জানান, মাদক শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য একটি গভীর হুমকি। মাদকের বিস্তার রোধে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন ও সংরক্ষণের সাথে জড়িত ব্যক্তি কিংবা সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে। একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনস্বার্থে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost