1. jewelislambln78@gmail.com : জুয়েল হোসেন : জুয়েল হোসেন
  2. 01404006688bd@gmail.com : জুলিয়া জাহান : জুলিয়া জাহান
  3. admin@channelgbangla.com : admin :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত

চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সুশাসন এবং জনগণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার রাতে সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে যে ব্যক্তি, সে-ই সবচেয়ে বড় ‘গুপ্ত’।

ঢাকা বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ছিনতাইয়ের সময় তিনজন নিজেদের আওয়ামী লীগের লোক পরিচয় দিয়ে ভয় দেখালেও গ্রেপ্তারের পর তাদের বিএনপির লোক হিসেবে পরিচয় পাওয়া গেছে—এমন দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করাই সবচেয়ে বড় গুপ্ত আচরণ।

গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ জনগণ দুটি ভোট দিয়েছিল। এর একটি ছিল জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে গণভোট। নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান জানিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন রাখেন, ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও বিএনপি তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছে কি না।

তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তনের আশা করেছিল। তারা চেয়েছিল দেশে আর ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না, আদালতে গিয়ে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে, সন্তানরা ভালো শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং চাঁদাবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতি কমবে। কিন্তু এসব প্রত্যাশার বাস্তবায়ন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। তার অভিযোগ, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট রয়েছে, জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না; অথচ নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি সমাজে সন্ত্রাস, হানাহানি, চুরি ও ছিনতাই বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

চট্টগ্রামের মেয়র প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন করেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি তাকে দায়িত্বে রাখা হয়, সেটিকে সুশাসন বলা হবে নাকি ফ্যাসিবাদ—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিয়েই দেশ পরিচালনার দাবি জানান তিনি।

লংমার্চের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি সরকারকে সতর্ক করার আন্দোলন। তবে ভবিষ্যতে আন্দোলন আরও বড় হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বসে বসে পরিস্থিতি দেখবে না। জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য তারা রাজপথে এসেছে এবং প্রয়োজন হলে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে বিরত হবেন না। কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রলোভনেও তারা প্রভাবিত হবেন না বলেও জানান তিনি।

শেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিবর্তনের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে। তার প্রত্যাশা, এই আন্দোলনে জনগণ বিজয়ী হবে এবং ফ্যাসিবাদ, অপরাধ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠবে।

Download Photocard

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost