মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত পুলিশ সদস্যের স্ত্রী শিউলি বেগম বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় জহিরুলসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জহিরুল সাভারের বড়দেশী এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধ এক রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে সেটিই আলতাফ হোসেন হত্যাকাণ্ডে গড়ায়।
পুলিশের ভাষ্য, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে শনিবার রাত আটটার দিকে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা মেরামত করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এসে তাকে ও রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়।
বিষয়টি দেখে কাছাকাছি থাকা আলতাফ হোসেন এগিয়ে গিয়ে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও বৃদ্ধকে আঘাতের প্রতিবাদ করেন।
একপর্যায়ে প্রাইভেটকারে থাকা চার-পাঁচজন যুবক তার ওপর হামলা চালায়। পরে আরও লোকজন এসে তাকে বেধড়ক মারধর করে।
এতে তিনি গুরুতর আহত ও অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
Leave a Reply