জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার ১০ নং গাইবান্ধা ইউনিয়নের বেলকুচি পাড়া গ্রাম, স্থানীয়ভাবে পরিচিত চাঁন গুজ ঘাট নামে। ব্রহ্মপুত্র নদী ভাঙ্গনে বর্তমানে এই এলাকায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, আর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একসময় বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়মিত ব্যাহত হতো। সে সময় ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো বন্যার পানির চাপ ও তীব্র স্রোতে হেলে পড়ত কিংবা নদীর গর্ভে চলে যেতে পারে এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পরে এখানে স্থাপন করা হয় বৈদ্যুতিক টাওয়ার।
কিন্তু বর্তমানে সেই টাওয়ারও চরম ঝুঁকির মুখে যে কোন সময় নদীর গর্ভে চলে যেতে পারে। নদীর প্রবল স্রোতে টাওয়ারের চারপাশের মাটি ধীরে ধীরে সরে গেছে। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। বেলকুচি পাড়া গ্ৰামের বাসিন্দা গুলো দুশ্চিন্তায় দিন পার করেছে। রাস্তা ও ফসলি জমি ভেঙ্গে ঠিক তাদের বসত বাড়ির কাছে এসে গেছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নদী ভাঙ্গনের প্রতিরোধ করতে তাঁরা বর্তমান স্থানীয় এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু মহোদয়ের নিকট আবদার জানান। কিন্তু তিনি আসতে চেয়ে ও আসেনি। নদীর পাড় বাঁশ দিয়ে পাইলিং করার অনুরোধ জানান। কিন্তু এর কোনো ফলাফল পাইনি তাদের দাবি।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর নদীভাঙ্গন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক টাওয়ারটি নিরাপদ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় নদীভাঙ্গনের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
Leave a Reply