জামালপুরে সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজের পানাউল্লাহ ছাত্রাবাসের সামনে ভিক্ষা না করে একটি ওজন মাপার মেশিন নিয়ে পরিমাপ করে যা আয় হতো তা দিয়েই চলতো শেরপুর জেলার জেল খানার এলাকার মোঃ আব্দুর রহিমের। ৫ জন কন্যা সন্তানের আয়ের একমাত্র উর্পাজনক্ষম ব্যাক্তি তিনি। বয়সে প্রবীন এই মানুষটি মানুষের কাছে ভিক্ষা না করে নিজের সামন্য টাকা দিয়ে ওজন মাপার যন্ত্র কিনে তা থেকে যা আয় হতো তা দিয়েই চলতো তার পরিবার।
তবে গত কয়েকদিন থেকে সেই মেশিনটিও নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফলে আয় বন্ধ হয়ে যায় আব্দুর রহিমের। সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজ কমিটির ছাত্রদল নেতা সোরোয়ার সেই খবর
পৌছে দেয় জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী সোহেল রানা খান । হতদরিদ্র সেই মোঃ আব্দুর রহিমের কাছে ছুটে যান জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী সোহেল রানা খান । নিজ পৌরসভার ভোটার না হলেও আব্দুর রহিমের জন্য নতুন একটি ওজন মাপার মেশিন কিনে তাকে উপহার দেন সোহেল রানা খান।
এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী সোহেল রানা খান জানান, এই মানবিক উদ্যোগ মূলত মহান আল্লাহতালার রাজি খুশির জন্য । একজন মানুষকে ভিক্ষা না দিয়ে কাজের সুয়োগ করে দেওয়া নবীর সুন্নত। সেই হিসেবে যে যেই এলাকার মানুষ হোক না কেন তাকে একটু সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে সকলকে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারলে একটি পরিবার উঠে দাড়াতে পারবে। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্লোগান সবার আগে বাংলাদেশ , এতে করে আগামীর সমৃদ্ধ নতুন মানবিক বাংলাদেশ গঠনে যুবদল তথা বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম,কলেজ ছাত্রদল নেতা সোরোয়ার সহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন