আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনসেবার ব্রত নিয়ে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন এলাকার জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ, সাবেক ত্যাগী যুবদল নেতা আতাউর রহমান মুজাম্মেল খান। সততা, যোগ্যতা ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার এই নেতার প্রার্থিতা ঘিরে পুরো এলাকায় বইছে আলোচনা। সাধারণ ভোটারদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক হিসেবে নিকাশ।
কে এই আতাউর রহমান মুজাম্মেল খান? তিনি আসলে এলাকায় মুজাম্মেল খান হিসেবেই পরিচিত। একসময় বহু তরুণ রাজনৈতিক কর্মীরা হয়ত এই মুজাম্মেল খানকেই খুব কাছে পেয়েছেন রাজনৈতির উৎসাহ দাতা হিসেবে।তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে দেশে সেরা ইউনিয়ন হিসেবে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আলোচনা আসে, পরিচিত লাভ করে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন। তখন এই মুজাম্মেল খান তরুণ এ যুবকদের উৎসাহ দিয়ে রাজনীতিকে চাঙ্গা করতে বেশ ভূমিকা রেখেছিলেন। ঐসময়ের সক্রিয় কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আজও মুজাম্মেল খানকে স্মরণ করে, তাকে খুঁজে বেড়ায়।
আজ সেই মুজাম্মেল খান দল ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে এক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে আতাউর রহমান মুজাম্মেল খান এলাকার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। তার মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিক সেবা সম্পূর্ণ হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করা, গ্রামীণ অবকাঠামোর সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার ঘটানো এবং কঠোরহস্তে মাদক ও ইভটিজিং দমন করা, সরকারি সকল অনুদান ও সহায়তা প্রকৃত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
মুজাম্মেল খান বলেন, আমি দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে দলের প্রতি বেশ শ্রদ্ধাশীল। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়, তবে এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়া ও জনগণের সেবা করার মূল লক্ষ্য নিয়েই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ। তাই তিনি আসন্ন নির্বাচনে সততা, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের পক্ষে রায় দিতে এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।