পিরোজপুরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, এর সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল জড়িত।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সামনে আসা তথ্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এর পরিণতি সংশ্লিষ্টদের ভোগ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তাঁরা সমাজে নিন্দিত হবেন।
অতীতের কয়েকটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এর আগেও কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাঁদের মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হয়েছিল। তবে মৃত্যুর পর মরদেহের প্রতি আচরণের বিষয়টি সমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তবে দেশে ফেরার পর তাঁকে কোনো ধরনের গণপিটুনি বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের জবাবদিহি এবং শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের বিষয়ে সরকারের এই বক্তব্য সামনে এসেছে।