দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবারও খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এতে দেশটিতে যেতে ইচ্ছুক শ্রমিক ও রিক্রুটিং এজেন্টদের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস। তারা এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
শ্রমিক নেওয়ার প্রক্রিয়ায় এবার আনা হয়েছে বেশ কিছু পরিবর্তন। নিয়োগদাতারা অনুমোদিত ২৫টি এজেন্সির মধ্য থেকে পছন্দের এজেন্সি বেছে নিতে পারবেন। এছাড়া মাত্র ৬ হাজার টাকা ফি দিয়ে অনুমোদিত এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ পাবে। সরকারের অনুমোদনক্রমে ৩১২টি এজেন্সি ব্যবসা করতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শ্রমিকদের প্রত্যাশা, নতুন প্রক্রিয়ায় কম খরচে নিরাপদে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বাড়বে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ।
২০২২ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। এরপর ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে দেশটিতে বিদেশি কর্মী প্রবেশ বন্ধ হয়ে যায়।
গত ২১ আগস্ট মালয়েশিয়ার এফডব্লিউসিএমএস বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি ৪০টি মেডিকেল সেন্টারের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কবে থেকে এবং কী প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী নিয়োগ শুরু হবে, তা এখনো জানায়নি মালয়েশিয়া সরকার।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈধভাবে শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ বাড়লে অবৈধ সিন্ডিকেট ও প্রতারণা কমবে। সরকারের পক্ষ থেকেও সব বৈধ এজেন্সিকে কাজের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, স্বল্প খরচে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই শ্রমবাজার।
Leave a Reply