সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:২৭ অপরাহ্ন

হলুদ সরিষা ফুলে কৃষকের স্বপ্ন দোলে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
-1613459636

নীলফামারির গ্রামীণ মাঠঘাট এখন সরিষা ফুলে ফুলে হলুদ হয়ে উঠেছে। হলুদের এমন সমারোহ প্রকৃতিকে করেছে আরো মোহময়-মায়াবী। এর মুগ্ধতায় বুঁদ হয়ে পড়ে পথচারীরাও। চোখ জুড়ানো দৃশ্যে উদাস হয়ে ওঠে পথিক মন।মধু আহরণে এক জীবন ব্যয় করা মৌমাছিরাও কম খুশি নয়। হলুদে ঠাসা এমন নয়নাভিরাম সরিষার মাঠেই তাদের সারাদিন কাটে কর্ম ব্যস্ততায়। গুনগুন গুঞ্জরণেই সে জীবন ও জীবিকার অপরূপ কাব্য লিখে যায়। যেন বুঝিয়ে দেয় নান্দনিক এই জীবন কেবল ভোগের নয়, ত্যাগেরও। তার জমানো সঞ্চয় (মধু) আর ত্যাগই তো আবার কারও বাঁচার রসদ জোগায়।

বাড়তি আয় এবং নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চাষীরা আমন ধান কাটার পরই ওই জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। গতবারের তুলনায় এবার ফলন ভালো। সরিষার চাষও বেড়েছে। এবারও সরিষার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন চাষীরা। আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রতি বিঘা জমিতে সরিষা উৎপন্ন হয় কমপক্ষে ৬-৮ মণ। হালচাষের পর বীজ বপন, সার ও সেচ দিতে হয়। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় গড়ে ১ হাজার টাকা। প্রতি মণ সরিষা বিক্রি হয় ৩-৪ হাজার টাকায়। উৎপাদন খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমিতে ৮-৯ হাজার টাকা বেশি লাভ করা সম্ভব।’

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক বাচ্চু মিয়া বলেন ‘গতবারের মতো এবারও চর এলাকাজুড়ে আগাম সরিষা আবাদ হয়েছে। এবার প্রায় ৪বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। সরিষা চাষ করে লাভের আশা করছি।’

ডিমলা উপজেলা কৃষি অফিসার সেকেন্দার আলী বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৯৬০হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর উপজেলার ৮২০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। সেই হিসেবে চলতি মৌসুমে এবার সরিষার আবাদ বেড়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর